Friday, March 11, 2022

সোনালী রোদের বিকেলবেলা

_ অনেক গুলি বছর সোনালী রোদের বিকেলবেলা উপভোগ করা হয় না,


হয়না ঘড়িতে ৪টা বাজলেই মায়ের পাশ থেকে উঠে মাঠের উদ্দেশ্যে দৌড় দেওয়া। 🖼


_ হয়না এখন আগে ব্যাট করা নিয়ে মারামারি , হয়না গোল দিয়ে একসাথে সেটা নিয়ে উল্লাশ।


জীবন বদলে গেছে। বাস্তবের পাটাতনে পিষে গেছে সেই অমূল্য শৈশব।


হে আল্লাহ্ কখনো কি এমন হবে আমি আবার পাবো ফিরে আমার হারিয়ে যাওয়া খেলার সাথী ও সেই সোনালী রোদের বিকেলবেলা? 🥀

Saturday, April 3, 2021

জিহাদ ও বহুবিবাহ-এর বিধান নিয়ে কিছু কথা।

কিছু বিষয় নিয়ে সমাধান হওয়াটা অতীব জরুরী বলে মনে করি।

সেগুলোর মধ্যে অন্যতম দুটি বিষয় হচ্ছে জিহাদ ও বহুবিবাহ

অনেক অবুঝ ভাই আছে যারা আমাদের সমাজব্যবস্থা ও মিডিয়ার মাধ্যমে Manipulate হয়ে জিহাদ নিয়ে একটা নিতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, ভাইয়েরা সাবধান আপনাদের দ্বীনের নলেজ না থাকার দরুন আপনারা যেটা ধারণা করেন সেটার জন্য ওয়াল্লাহি আপনারা কাফির হয়ে যাবেন। জিহাদ নিয়ে আরো পড়ালেখা করুন জানার চেষ্টা করুন, এসব দাজ্জালী মিডিয়া আপনাদের ঈমান কেড়ে নেওয়ার ফাঁদ পেতেছে। জিহাদ কোনো মানুষের বানানো বিধান নয় এটা সয়ং আল্লাহ্ সুবহানওয়া তা'আলার থেকে এসেছে তাই এটার বিপরীতে কাজ বা এটা নিয়ে খারাপ ধারণা পোষণ করলে ঈমান চলে যাবে এটা নিয়ে সন্দেহ নেই।

"তবে কি তোমরা কুর্‌আনের কিছু অংশ মানবে, আর কিছু অংশ মানবে না? যদি এমনটি কর, তাহলে দুনিয়াতেই তোমাদের উপর নেমে আসবে লাঞ্চনা ও আখিরাতে রয়েছে কঠোর আযাব। (সুরা বাকারা, আয়াত :৮৫)"

আর শাইখ হারুন ইজহার হাফিঃ তো আজ ফতওয়া দিয়েই দিছেন "যে বা যারা জিহাদি বইকে জঙ্গিবাদি বই বা সন্ত্রাসী বলে চালাবে বা এটা বলবে যে , জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়েছে তারা কাফির।"

ঠিক উপরের ক্ষেত্রর সাথে মিলে যায় বহুবিবাহের বিধান , কিছু বোন আছেন যাদের আলহামদুলিল্লাহ্‌ দ্বীনের ভালো জ্ঞান আছে। কিন্তু তারা এই বহুবিবাহ এর বিষয় আসলে নিতিবাচক ধারণা পোষণ করেন। সহজে মেনে না নেওয়া এটা হয়তো ফিতরাত কিন্তু নিতিবাচক ধারণা পোষণ করা মানে আল্লাহর কোনো বিধানের উপর নিতিবাচক ধারণা বা সন্দেহ পোষণ করা যেটা ঈমান হারা হওয়ার জন্য যথেষ্ট । তাই এই বিষয়ে বোন আপনাদের আরো সচেতন হতে হবে।

  ‘...তোমরা বিবাহ করবে নারীদের মধ্যে যাকে তোমার ভালো লাগে—দুই, তিন অথবা চার। আর যদি আশঙ্কা করো যে সুবিচার করতে পারবে না, তাহলে একজনকে (বিয়ে করো)...।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৩)

[বিঃদ্রঃ আমি কোনো আলিম নই , উপরের আলোচনায় কোনো ভুল দেখলে দয়াকরে দ্বীনের খাতিরে সংশোধন করে দিবেন।]

Tuesday, January 12, 2021

ইলম অর্জন করার ক্ষেত্রে কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ?

আমাকে যদি বলা হয় তুমি কিভাবে ইলম অর্জন করা কে তার্জি দেবে?

তাহলে আমি কিতাবের উপরে (কোর'আন সুন্নাহ্ ব্যতীত) কোনো শাইখ থেকে সরাসরি ইলম হাসিল করা কে তার্জি দেবো। কারণ কিতাব জাগতিক বিষয়বস্তু কে সেভাবে তুলে ধরতে পারে না। 

কিন্তু হকপন্থি শাইখের সহবতে থাকলে কোন পরিস্থিতিকে কিভাবে সামাল দিতে হয় এটা সরাসরি উপলব্ধি করা যায় যেটা কিতাব থেকে আমরা হাসিল করতে পারি না।

আবার এর মানে এই না যে কিতাব থেকে একদম-ই ইলম নেওয়া যাবে না। আলবাক্ত কিতাব থেকেই জ্ঞান নিতে হবে ,তবে কিতাবকে নিজের শাইখ বানানো যাবে না। 

কিতাবের এমন অনেক বিষয় আছে যা আমরা খন্ডন করতে পারবো না বরং তার সারমর্ম না বুঝে সেটার উল্টো ব্যাখ্যা আমরা দাড় করিয়ে দিবো। তাই কিতাবের সারমর্ম বোঝার জন্য হলেও একজন হকপন্থী শাইখের সহবত অত্যাবশ্যক।

হয়তো আমিও অসীম গন্তব্যর যাত্রী হব...

একদিন আমিও হয়তো কোনো এক ভোরে অথবা দুপুরে অথবা পড়ন্ত বিকেলে নয়তো গভীর রজনীতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে অসীম পথের যাত্রী হব। 

তখন কেমন হবে সব কিছু? তখন আর সিজদাহ্ দিয়ে আল্লাহর দরবারে কাকুতিমিনতি করার কোনো সুযোগ থাকবে না। তখন দুনিয়ার জীবন কে একটা ৫মিনিটের ঘুমের স্বপ্ন মনে হবে।

কেমন হতো যদি রাসূলুল্লাহর সময়ে জন্ম নিয়ে তার সহবত পেতাম?

আলহামদুলিল্লাহ্‌ ! কোনো শিকায়েত করছি না।

তবে। ইশ! যদি রাসূল সঃ-এর সহবত পেতাম, তার হাসি মুখটা নিজের চোখ দিয়ে দেখতে পেতাম, তাকে বুকে একবার জড়িয়ে ধরতে পারতাম, তার সাথে নিজের দুঃখ কষ্টের কথা শেয়ার করতে পারতাম। তাহলে কোনো সমস্যায় পড়লে কখনো হতাশ হতাম না দৌড়ে তার কাছে চলে যেতাম কারণ "সমাধান" তো তিনি-ই (আল্লাহর থেকে সরাসরি আনেন।)

আমাদের আর সাহাবায়ে রাসূলুল্লাহদের মাঝে পার্থক্য কি জানেন?

আমাদের আর সাহাবায়ে রাসূলুল্লাহদের মাঝে পার্থক্য কি জানেন?

তারা নিজেদের আত্মশুদ্ধির জন্য রাসূল (সঃ)-কে প্রশ্ন করতেন।

আর আমরা অন্যের আত্মশুদ্ধির জন্য আলেমসমাজকে প্রশ্ন করি।

কে আসল সেলিব্রেটি?

দুনিয়াতে নাঁচ গান করে এমনও অনেক তথাকথিত সেলিব্রেটি অনেক নাম-জশ কামিয়েছে, অনেক দুনিয়া কাপিয়েছে। কিন্তু মৃত্যুর পর এখন কয়জন কে দেখেন তাদের নাম জপতে..?

কিন্তু দুনিয়াতে এখনো ইবনে ক্যাইয়ুম রহঃ, ইবনে তাহমিয়্যা রহঃ প্রমূখদের নাম কোটি কোটি মানুষের মুখে। অথচ তাদের কাউকে হয়তো মানুষ দেখেও নি।

আসল সফলতা খ্যাতি তো সেটাই যেটা মৃত্যুর পর মানুষ অর্জন করে সারাদুনিয়ার মানুষের ভালবাসার মাধ্যমে, স্মৃতির মাধ্যমে আমরণ।

এখন সিদ্ধান্ত আপনার আপনি কিভাবে দুনিয়াতে নাম কামাতে চান? বেঁচে থেকে অনেক নাম জস , নাকি মৃত্যুর পরেও আমরণ নাম জস? তাহলে আজ থেকেই আল্লাহ্ কে খুশি করার কাজে নিজেকে উৎসর্গ করুন। আল্লাহ্ নিজ রহমত থেকে দুনিয়া ধ্বংসের আগ পর্যন্ত এই দুনিয়ায় আপনার সুনাম সমুন্নত রাখবেন।

Saturday, January 2, 2021

একটু গভীর ভাবে চিন্তা করুন।

একটু গভীরভাবে চিন্তাকরুন-

আপনি বিধ্বস্ত হয়ে বসে তাকিয়ে আছেন আকাশপানে আর চোখ বেয়ে নামছে অশ্রু তারপরঃ এই বাংলাদেশ কতবড়, তার চেয়ে বড় এশিয়া মহাদেশ, তার থেকেও কতই না বড় পৃথিবী। 

পৃথিবী থেকে বড় সূর্য আর এমন  জিলিওন সূর্য দিয়ে গ্যালাক্সি আবার এমন জিলিওন গ্যালাক্সি তে একটা ইউনিভার্স আর এমন জিলিওন বা তার থেকেও বেশি ইউনিভার্স দিয়ে আমাদের হয়তো প্রথম আসমান, আর এমন ৭টা আসমান এর উপর থেকে একজন যিনি সৃষ্টি করেছেন এই সব কিছু, তিনি মহান সত্ত্বা মনযোগ দিয়ে শুনছেন আপনার কথা দেখছেন আপনার চোখের পানি আর বলছেন তার ফেরেস্তাদের, আমার এই বান্দার কষ্ট আমি আল্লাহ মানতে পারছি না দিয়ে দাও ও যা চায় তা এবং তার থেকেও বেশি, জেনো আমার বান্দা খুশি হয়ে যায়। "সুবহান-আল্লাহ্" 

একটু কল্পনা করতে পারবেন?  না এসব কল্পনা করা যায় না। এগুলো বোঝানোর ভাষা নেই। তিনি ই তো রব্ব্বে কারিম আহ! কি মহান ই না তার মমতা। চোখ ভিজে শিক্ত হয়ে ওঠে তাকে নিয়ে ভাবলে।

©মুহাম্মাদ হা-মিমুল ইসলাম

মানুষের জীবনের ৩টি কাল।

মানুষের জীবনের কাল তিনটি গতকাল, আজ ও আগামীকাল 

গতকাল চলে গেছে যেটা আর ফিরে আসবে না, আগামীকাল কি আছে তা জানি না, তাই সময় শুধু আজ। আজ ইবাদত করে আগামীকাল উজ্জ্বল করুন ও গতকালের কালো অতীত মুছে ফেলুন।

[বিঃদ্র- এক শাইখ থেকে ধারণা টা নেওয়া ]

গান ও শির্ক সম্পর্কে কিছু তথ্য।

গান ও শির্কঃ

দুনিয়াতে মানুষ সবচেয়ে বেশি যেটার প্রতি নেশাগ্রস্ত সেটা হচ্ছে এই গান। গান হারাম এটা আমরা জানি কিন্তু, কথা বাড়িয়ে সেদিকে আর যাবো না। আচ্ছা কখনো কি আমরা এটা গভীরভাবে চিন্তা করেছি যে, এই গান আমাদের দ্বীন ইসলাম থেকে বের করে মুরতাদও করে দিতে পারে?

কথাটা বুঝে আসলো না হয়তো তাই না....? তাহলে চলুন একটু বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা যাকঃ

আমরা যখন গান শুনি তখন এই গানের মধ্যে নানাবিধ ম্যাসেজ আমাদের সামনে পেশ করা হয়। হয়তো আমরা কেউ ধরতে পারি হয়তো পারি না। কিন্তু আমাদের সাবমাইন্ড ঠিক-ই এটাকে নিজের মধ্যে নিয়ে নেয় এবং পরে সেটা সামনে আস্তে আস্তে তুলে ধরে। আমরা একটা গান যখন একের অধিক শুনি তখন সেটা আমাদের মনের মধ্যে গেথে যায় এবং পরবর্তীতে আমরা আমাদের চেতন-অবচেতন দুই অবস্থাতেই সেই গানের কলি আউড়াতে থাকি।

এখন যখন গান গুলি এমন হয় " জান্নাত সাজায়ি মেনু তেরে লিয়ে, ছোড় দি খুদাই মেনু তেরে লিয়ে "

অর্থ- জান্নাত সাজিয়েছি আমি তোর জন্য, খোদাকে আমি ছেড়েছি তোর জন্য। (নাউজুবিল্লাহ)  [শুধু একটা উদাহরণ দিলাম এমন কোটি কোটি গান আছে]

যখন এই গান শুনে নিজের মুখে আউড়াতে থাকি তখন এর পরিনাম কি দাড়ায়?

আমরা শির্কের কথা শুনছি ও সেই কুফরি নিজের মুখে উচ্চারণ করে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাচ্ছি।

চিন্তা করুন আজ রাতে আপনি এমন একটি গান গাইতে গাইতে ঘুমাতে গেলেন অথচ আপনার আর সকাল টা দেখা হলো না। কি হবে তখন কবরে? আপনি নিজেও বুঝলেন না যে আপনি অমুসলিম হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

তাই আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসা হৃদয়ে স্থাপন করে চলুন গান আজ থেকেই বাদ দেই এবং কোর\"আন কে আপন মনে ধারণ করি।

মুহাম্মদ হা-মিমুল ইসলাম।

এ কেমন মূর্খ জাতি? যারা নিজের মৃত্যুর কাছে যাওয়া নিয়ে উৎসব করে।

আমরা এ কেমন মূর্খ জাতি? 

যারা নিজের মৃত্যুর কাছে আগাচ্ছে সেটা নিয়ে ইঞ্জয় করে।

আমাকে বলুন যদি আপনাকে ডাক্তার বলে আপনার হাতে মাত্র 2বছর সময় আছে , তাহলে কি আপনার কাছে নতুন বছর আসা কোনো খুশির বিষয় হতো নাকি কষ্টের?

তাহলে এই নতুন বছরের ক্ষেত্রে এটা কেনো ভাবছেন না যে আপনি মৃত্যুর কাছে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছেন? তাহলে কোন বিবেক নিয়ে নিজের মৃত্যুর কাছে যাওয়া নিয়ে হাসিতামাসা করছেন?

ওয়াল্লাহি এই হাসিতামাসা আপনাকে এমন ভাবে আফসোস করাবে যে আপনি নিজের হাত কামড়ে ছিড়ে ফেলবেন।

আল্লাহ বোঝার তৌফীক দান করুন।

Wednesday, December 30, 2020

দুনিয়াতে কামিয়াবি তো কাফিররাই তাহলে ঈমান রেখে লাভ কি?

আসসালামু আলাইকুম। 

প্রতিটি ভালোকাজ এর প্রতিফল হিসেবে জান্নাত পাওয়ার মূল শর্ত হচ্ছে ঈমান আনা। কারণ ঈমান ব্যতীত ভালোকাজ করা ও জান্নাতের আশা করাটা ঠিক, টিকিট ছাড়া বিমানে ওঠার চেষ্টা করার সমতুল্য। তাই আল্লাহ তা\"আলা পবিত্র কোর\"আনের বহু জায়গায় ভালো কাজের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে শুরুতেই বার বার বলেছেন "যারা ঈমান আনে" নিন্মে একটি আয়াতের উদাহরণ দেওয়া হলোঃ

সূরা বাইয়্যিনাহ (البينة), আয়াত: ৭
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ أُو۟لَٰٓئِكَ هُمْ خَيْرُ ٱلْبَرِيَّةِ
অর্থঃ যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারাই সৃষ্টির সেরা।

এখন মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে যারা কাফির-মুশরিক তারা যেই ভালো কাজ গুলা করছেন তাহলে তার উপহার কি?

নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞানী ও সর্বোত্তম বিচারক। তিনি কারো সাথেই বে-ইনসাফি করেন না তিনি অনু পরিমান ভালোকাজ করলেও তার পুরুষ্কার দিবেন আবার, অনু পরিমান খারাপ কাজেরও। তবে একটা বিষয় বুঝতে হবে আমরা মুসলিম আমাদের একমাত্র স্বপ্ন হওয়া উচিৎ জান্নাত। আর আল্লাহ তা"আলা বলেছেন নিশ্চয়ই এটাই সর্বশেষ ও সর্বোত্তম পুরুষ্কার তারা এখানে থাকবে চিরকাল। 

এই তারা-ই হচ্ছেন যারা ঈমান এনে ভালো কাজ করে ও অন্যকে ভালো কাজের উপদেশ দেয়। আর এর জন্যই আমরা দেখতে পাই প্রতিটি নবী-রাসূলগন-ই সবচেয়ে বেশি কষ্টের মধ্যে দিয়ে গেছেন কিন্তু তারা-ই ঈমান আনার পর সবচেয়ে বেশি ভালোকাজ ও উপদেশ দিয়ে গেছেন। আর অপরদিকে যদি কেউ ঈমান এনেও দুনিয়াতে সুখ পায় তাহলে এটা আল্লাহর তরফ হতে এক্সট্রা নেয়ামত যেমন দাউদ আঃ, সুলেমান আঃ, জুলকার নাইন রহঃ প্রমুখ।

আমরা যদি লক্ষ করি এখন দুনিয়াতে সবচেয়ে বড়-নামিদামি লোকজন কারা? তাহলে ৮০%-ই বের হয়ে আসবে কাফির-মুশরিকদের নাম। আর এটাই তাদের পুরুষ্কার। তাদের ভালোকাজ গুলির পুরুষ্কার এই দুনিয়ায় নাম-খ্যাতি ধন-সম্পদ ইত্যাদি। যেনো তারা বিচার দিবসে আল্লাহকে প্রশ্ন না করতে পারে যে, "হে আল্লাহ! আমরা যে এতো মানবসেবা করলাম আমাদের তো কিছুই দিলে না।" যার জন্য আল্লাহ তাদের এই দুনিয়া দিয়ে দিছেন যেটা আল্লাহর কাছে তেমনটাই মূল্যহীন যেমন মানুষের কাছে একটি মৃত মাছির মূল্য। তাই আল্লাহ তাদের এই দুনিয়া দিয়েছেন ও আমাদের সাথে ওয়াদা করেছেন জান্নাতের তবে এর জন্য দরকার একটু কষ্ট ও ধৈর্য। 
এর জন্যই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুনিয়া মুমিনের জেলখানা এবং কাফেরের বেহেশতখানা। [৩৪৪৫]
সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৪১১৩।

আর কাফিরদের দুনিয়াতে আরামদায়ক বিচরণ-ই প্রমান করে এটাই তাদের ভালোকাজের পুরুষ্কার। যেখানে ঈমান এনে এই একই ভালোকাজ এর জন্য রয়েছে জান্নাত এর মতো শ্রেষ্ঠ থেকে শ্রেষ্ঠতম নেয়ামত। তাই প্রতিটি ভালোকাজ করার আগে নিয়ত জেনো হয় আল্লাহর সন্তুষ্টির সেদিকে খেয়াল করতে হবে।

জাজা-কাল্লাহ্ খইরান।

লিখেছেনঃ মুহাম্মদ হা-মিমুল ইসলাম।

Sunday, March 10, 2019

রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ

মানুষের সামনে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সুনাম করলে অহংকার সৃষ্টি হয়। তাই মানুষের সামনে তার ভুলত্রুটি গুলি ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন জেনো সে শুধরে নিতে পারে। মানুষের পিছে তার ভুলত্রুটি ধরলে গীবত হয় যার জন্য আপনি জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে পারেন। তাই তার অনুপস্থিতিতে তার সুনাম করুন। উপদেশ
রাসূল_সল্লাল্লাহু_আলাইহি_ওয়াসাল্লামের_আদর্শ।

কিসের জন্য অপেক্ষা...?

চিন্তা করুন তো আমাদের কাছে কার প্রাধান্য বেশি? মহান স্বত্তা আল্লাহর নাকি তার সৃষ্টি সামান্য একজন ডাক্তারের? যদি বলেন এটা কেনো বললাম তাহলে শুনুনঃ- যখন ডাক্তার আমাদের বলে আমাদের হাতে আর ৩মাস সময় আছে (উদাহরণ স্বরূপ)। তখন আমরা জেনো হুশ ফিরে পাই বাস্তবতা টা মেনে নিয়ে নিজেদের মৃত্যুর প্রহর গুনতে থাকি। সেই অনুযায়ী নিজেকে চালনা করি। কিন্তু, এই একই কথাটা যখন আল্লাহ রব্বুল আলামীন তার পবিত্র কোর'আনুল কারিমে আমাদের বার বার স্বরণ করিয়ে দেন তখন আমরা সেটাকে পাত্তাই দেই না। তখনও আমরা আমাদের হুশ আনি না। আমরা আমাদের বিবেক কাজে লাগাই না। ভেবে দেখুন তো এই বাস্তবতা টা কতটুকু গ্রহনযোগ্য আমাদের জন্য? "প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।"- আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা।

Sunday, February 17, 2019

কোনটা আসল ভবিষ্যৎ?

আমরা সব সময় মিথ্যে ভবিষ্যৎ গড়া নিয়ে চিন্তিত যখন সেই ভবিষ্যৎ টা আমাদের জীবনে আসবে কি আসবে না তার কোনো সম্ভাবনা নেই। কিন্তু, আসল সত্য ভবিষ্যৎ যেটা অনিবার্য আসবেই সেটা নিয়ে কখনো ভাবি না। আমরা ভাবি ভবিষ্যতের ব্যাংক ব্যালেন্স,বিয়ে,গাড়ি-বাড়ি এসব নিয়ে যেগুলোর কোনো গ্যারান্টি নেই যে আমি আমার জীবনে এগুলোর দেখা পাবো কি না! কিন্তু যেই মৃত্যু নামের ভবিষ্যৎ টা আমার দরজার কড়া নাড়ছে সেটার ব্যপারে কোনো চিন্তাই নেই এমনকি সেটার জন্য নিজেকে তৈরি ও করছি না পুরন্ত সেটা আমার সামনে দাঁড়িয়ে। যদি কেউ প্রশ্ন করে আমার ভবিষ্যৎ কি? আমার উত্তর একটাই হওয়া উচিৎ সেটা হলো #মৃত্যু!

Tuesday, February 5, 2019

ঈমান ও আকাশের সম্পর্ক।

মানুষের ঈমান হচ্ছে আকাশের ন্যায়। আকাশ যেমন পরিবর্তন হয় কখনো পরিষ্কার কখনো কালো মেঘে ভরা, আবার অঝোর ধারায় বৃষ্টি নেমে সেই মেঘ কাটিয়ে আবার সচ্ছ আকাশে পরিনত হয়। ঠিক তেমনি আমাদের ঈমানও কখনো পরিষ্কার হয় আবার কখনো তাতে মেঘ জমে যায়। আর এই মেঘ কাটিয়ে পরিষ্কার ঈমান আনতে আমাদেরও বৃষ্টি ঝরানো লাগবে। আর সেই বৃষ্টি হলো আল্লাহর দরবারে আমাদের চোখের পানি। ঈমান দৃঢ় করতে কাঁদুন বেশি বেশি আল্লাহর দরবারে। আর নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে প্রিয় শহীদের একফোঁটা রক্ত ও আল্লাহর ভয়ে বান্দার ফেলা একফোঁটা চোখের পানি।

Friday, November 2, 2018

বিয়ে কি?

ভালোলাগার মতন একটা কথা- আপনার কাছে একটা পথ আছে যেটার চারপাশে এতোটাই অন্ধকার যে আপনি আলো ছাড়া চলতে পারবেন না। আপনার কাছে একটা মোমবাতি আছে কিন্তু তাতে কোনো আলো নেই। আর হঠাৎ করে আপনি একজন স্বত্ত্বার কথা স্বরন করলেন এবং সাথে সাথে আপনার পায়ের কাছে একটি দেশলাই কাঠি পেলেন এবং সেটা দিয়ে আগুন ধরিয়ে নিয়ে একটু আলোর দেখা পেলেন। তবে এই আলোটাও আপনার জন্য যথেষ্ট নয় এতো দূরের পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য। আবার এটারও আশঙ্কা আছে যে কিছুদূর যেয়ে সেটা নিভেও যেতে পারে। হঠাৎ আপনার একটা পদক্ষেপে আপনার পাশে আরেকটি মোমবাতি এসে আপনার সঙ্গ দিলো। এবং এখন আপনি সাহস ও আলো দুটোই পেলেন। আবার আলো নিভে যাওয়ার আশঙ্কা টাও কেটে গেলো কারণ, যদি একটা নিভেও যায় আরেকটার আলো দিয়ে সেটাকে জ্বালিয়ে নেওয়া যাবে। এবং এতে করে আপনি খুবই সহজে রাস্তা টা পার করে ওপারের রত্নভান্ডারের কাছে পৌছালেন। মোরাল অফ দ্যা স্টোরি- এখানে পথ বলতে বোঝানো হয়েছে আমাদের এই জীবন, অন্ধকার বলতে এই দুনিয়াবি ফিতনা-ফেসাদ, মোমবাতি আপনার আত্মা-নফস, আলো হলো ঈমানী শক্তির আলো, সেই স্বত্তার স্বরন মানে মহান আল্লাহর কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়া, দেশলাই হল হেদায়েত যার মাধ্যমে ঈমানের আলো জ্বালাতে পারলেন, আর নিভে যাওয়ার ভয় মানে ঈমান হারিয়ে ফেলা, আর আরেকটি পদক্ষেপ হল নিকাহ্ ও আলো হলো আপনার সঙ্গিনীর ঈমান, আর এই ক্ষেত্রে নিভে গেলেও তার সাহায্যে আপনি ঠিক থাকতে পারবেন। সর্বশেষ আপনি ওই রত্নভান্ডার মানে জান্নাতে সুখের দিন কাটাবেন।

Friday, October 5, 2018

ভাবতেই_অবাক_লাগে

যেই মানুষটা রাতে কবরস্থানের পাশ দিয়ে একা হেটে যেতে ভয় পায়, একদিন সেই মানুষটাই সব কিছু ছেড়ে সেই অন্ধকার কবরে একাকী রাতের পর রাত কাটাবে।

একদিন ঠিকই হারিয়ে যেতে হবে সেলাইবিহীন সাদা কাপড়ের আড়ালে। অপেক্ষা শুধু মৃত্যুর।

-তাই কাল লাশ হয়ে অন্যের কাধে যাওয়ার থেকে আজ নিজের পায়ে হেটে মসজিদে যাওয়াটাই উত্তম।

Sunday, September 2, 2018

"শেষ মুহূর্ত ও রঙ্গীন পর্দা"

-১২৫০ ফেসবুক বন্ধু, ৬২৫ ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার, ৫৮৮ আছে টুইটারে।

   কিন্তু এখনো,

আইসিইউ এর বাহিরে তার একমাত্র স্ত্রী, সন্তান এবং তার মা-বাবার উপস্থিত বিদ্যমান।

অপেক্ষা করছে তার সুস্থতার।

-এবং এরা তারাই যাদের জন্য তার কখনো সময় হয় নি।

তাই বন্ধুরা কল্পনার জগৎ হতে বেরিয়ে এসে একটু সময় দিন নিজের পরিবারকে।

-কারণ শেষ সময়ে এরাই পাশে থাকবে, রঙিন মিথ্যে পর্দার কেউ নয়।


Friday, August 24, 2018

নিয়ত ও রিয়া পর্ব- ১

" নিয়ত ও রিয়া "

পর্বঃ ১

[বিঃদ্রঃ আল্লাহ্ অন্তর জামী]

- একদা এক ভাই ছিলো যে কিনা খুব দান-ছদকা করতো। এক কথায় খুব দানশীল বলা চলে। এবং এই দান করাকে কেন্দ্র করে মানুষ তাকে খুব ভালও বাসতো। তাকে সবাই দাতা হিসেবে চিনত। এবং এতে তিনিও খুব গর্ববোধ করতো। এবং এরপর সে আরো বেশি করে দান করা শুরু করেন। অত:পর তার নাম দূর-দূরান্তে পৌঁছে যায়। এবং সবাই তার এসব কাজের জন্য তাকে বাহবা দিতে থাকে। এবং সবাই ভেবেই নেয় তিনি জলজ্যান্ত একজন জান্নাতি মানুষ। আর ভাবাটাও স্বাভাবিক যে এতো দান-ছদকা করে তাকে আল্লাহ্ কেনো জাহান্নামী করবেন। তাই সে নিজেও নিজেকে জান্নাতি ভেবে নেয়।

- অত:পর তার মৃত্যু হয়ে গেলো। এবং সে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হল। এবং আল্লাহ তা'লা তার বিচারের রায় দিলেন জেনো তাকে জাহান্নামের কুপে নিক্ষেপ করা হয়। অত:পর লোকটি বলে "হে রব্বুল আলামিন আমি কেনো জাহান্নামী? আমি তো দুনিয়ায় অনেক দান করতাম।" অত:পর আল্লাহ্ বলবেন " দান করতে ঠিকই কিন্তু তোমার নিয়ত ছিলো না আমাকে খুশি করা। তোমার নিয়ত ছিলো দুনিয়ার নাম-ডাক-খ্যাতি অর্জন। এবং তুমি দুনিয়ায় সেটা পেয়েছও তাহলে এখন আমার কাছে কি চাও..? তুমি যেটি করেছ সেটা মানুষের কাছে ইবাদত হলেও আমার কাছে এটা রিয়া।" অত:পর তিনি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হলেন।

[বিঃদ্রঃ আল্লাহর বানি টা সম্পুর্ণ কাল্পনিক ভাবে তুলে ধরা তিনি এভেবে বলবেন কিনা জানা নেই। এটা সামান্য একটা ধারণা মাত্র। আল্লাহ সর্বজ্ঞানী। ]