Friday, March 11, 2022

সোনালী রোদের বিকেলবেলা

_ অনেক গুলি বছর সোনালী রোদের বিকেলবেলা উপভোগ করা হয় না,


হয়না ঘড়িতে ৪টা বাজলেই মায়ের পাশ থেকে উঠে মাঠের উদ্দেশ্যে দৌড় দেওয়া। 🖼


_ হয়না এখন আগে ব্যাট করা নিয়ে মারামারি , হয়না গোল দিয়ে একসাথে সেটা নিয়ে উল্লাশ।


জীবন বদলে গেছে। বাস্তবের পাটাতনে পিষে গেছে সেই অমূল্য শৈশব।


হে আল্লাহ্ কখনো কি এমন হবে আমি আবার পাবো ফিরে আমার হারিয়ে যাওয়া খেলার সাথী ও সেই সোনালী রোদের বিকেলবেলা? 🥀

Saturday, April 3, 2021

জিহাদ ও বহুবিবাহ-এর বিধান নিয়ে কিছু কথা।

কিছু বিষয় নিয়ে সমাধান হওয়াটা অতীব জরুরী বলে মনে করি।

সেগুলোর মধ্যে অন্যতম দুটি বিষয় হচ্ছে জিহাদ ও বহুবিবাহ

অনেক অবুঝ ভাই আছে যারা আমাদের সমাজব্যবস্থা ও মিডিয়ার মাধ্যমে Manipulate হয়ে জিহাদ নিয়ে একটা নিতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, ভাইয়েরা সাবধান আপনাদের দ্বীনের নলেজ না থাকার দরুন আপনারা যেটা ধারণা করেন সেটার জন্য ওয়াল্লাহি আপনারা কাফির হয়ে যাবেন। জিহাদ নিয়ে আরো পড়ালেখা করুন জানার চেষ্টা করুন, এসব দাজ্জালী মিডিয়া আপনাদের ঈমান কেড়ে নেওয়ার ফাঁদ পেতেছে। জিহাদ কোনো মানুষের বানানো বিধান নয় এটা সয়ং আল্লাহ্ সুবহানওয়া তা'আলার থেকে এসেছে তাই এটার বিপরীতে কাজ বা এটা নিয়ে খারাপ ধারণা পোষণ করলে ঈমান চলে যাবে এটা নিয়ে সন্দেহ নেই।

"তবে কি তোমরা কুর্‌আনের কিছু অংশ মানবে, আর কিছু অংশ মানবে না? যদি এমনটি কর, তাহলে দুনিয়াতেই তোমাদের উপর নেমে আসবে লাঞ্চনা ও আখিরাতে রয়েছে কঠোর আযাব। (সুরা বাকারা, আয়াত :৮৫)"

আর শাইখ হারুন ইজহার হাফিঃ তো আজ ফতওয়া দিয়েই দিছেন "যে বা যারা জিহাদি বইকে জঙ্গিবাদি বই বা সন্ত্রাসী বলে চালাবে বা এটা বলবে যে , জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়েছে তারা কাফির।"

ঠিক উপরের ক্ষেত্রর সাথে মিলে যায় বহুবিবাহের বিধান , কিছু বোন আছেন যাদের আলহামদুলিল্লাহ্‌ দ্বীনের ভালো জ্ঞান আছে। কিন্তু তারা এই বহুবিবাহ এর বিষয় আসলে নিতিবাচক ধারণা পোষণ করেন। সহজে মেনে না নেওয়া এটা হয়তো ফিতরাত কিন্তু নিতিবাচক ধারণা পোষণ করা মানে আল্লাহর কোনো বিধানের উপর নিতিবাচক ধারণা বা সন্দেহ পোষণ করা যেটা ঈমান হারা হওয়ার জন্য যথেষ্ট । তাই এই বিষয়ে বোন আপনাদের আরো সচেতন হতে হবে।

  ‘...তোমরা বিবাহ করবে নারীদের মধ্যে যাকে তোমার ভালো লাগে—দুই, তিন অথবা চার। আর যদি আশঙ্কা করো যে সুবিচার করতে পারবে না, তাহলে একজনকে (বিয়ে করো)...।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৩)

[বিঃদ্রঃ আমি কোনো আলিম নই , উপরের আলোচনায় কোনো ভুল দেখলে দয়াকরে দ্বীনের খাতিরে সংশোধন করে দিবেন।]

Tuesday, January 12, 2021

ইলম অর্জন করার ক্ষেত্রে কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ?

আমাকে যদি বলা হয় তুমি কিভাবে ইলম অর্জন করা কে তার্জি দেবে?

তাহলে আমি কিতাবের উপরে (কোর'আন সুন্নাহ্ ব্যতীত) কোনো শাইখ থেকে সরাসরি ইলম হাসিল করা কে তার্জি দেবো। কারণ কিতাব জাগতিক বিষয়বস্তু কে সেভাবে তুলে ধরতে পারে না। 

কিন্তু হকপন্থি শাইখের সহবতে থাকলে কোন পরিস্থিতিকে কিভাবে সামাল দিতে হয় এটা সরাসরি উপলব্ধি করা যায় যেটা কিতাব থেকে আমরা হাসিল করতে পারি না।

আবার এর মানে এই না যে কিতাব থেকে একদম-ই ইলম নেওয়া যাবে না। আলবাক্ত কিতাব থেকেই জ্ঞান নিতে হবে ,তবে কিতাবকে নিজের শাইখ বানানো যাবে না। 

কিতাবের এমন অনেক বিষয় আছে যা আমরা খন্ডন করতে পারবো না বরং তার সারমর্ম না বুঝে সেটার উল্টো ব্যাখ্যা আমরা দাড় করিয়ে দিবো। তাই কিতাবের সারমর্ম বোঝার জন্য হলেও একজন হকপন্থী শাইখের সহবত অত্যাবশ্যক।

হয়তো আমিও অসীম গন্তব্যর যাত্রী হব...

একদিন আমিও হয়তো কোনো এক ভোরে অথবা দুপুরে অথবা পড়ন্ত বিকেলে নয়তো গভীর রজনীতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে অসীম পথের যাত্রী হব। 

তখন কেমন হবে সব কিছু? তখন আর সিজদাহ্ দিয়ে আল্লাহর দরবারে কাকুতিমিনতি করার কোনো সুযোগ থাকবে না। তখন দুনিয়ার জীবন কে একটা ৫মিনিটের ঘুমের স্বপ্ন মনে হবে।

কেমন হতো যদি রাসূলুল্লাহর সময়ে জন্ম নিয়ে তার সহবত পেতাম?

আলহামদুলিল্লাহ্‌ ! কোনো শিকায়েত করছি না।

তবে। ইশ! যদি রাসূল সঃ-এর সহবত পেতাম, তার হাসি মুখটা নিজের চোখ দিয়ে দেখতে পেতাম, তাকে বুকে একবার জড়িয়ে ধরতে পারতাম, তার সাথে নিজের দুঃখ কষ্টের কথা শেয়ার করতে পারতাম। তাহলে কোনো সমস্যায় পড়লে কখনো হতাশ হতাম না দৌড়ে তার কাছে চলে যেতাম কারণ "সমাধান" তো তিনি-ই (আল্লাহর থেকে সরাসরি আনেন।)

আমাদের আর সাহাবায়ে রাসূলুল্লাহদের মাঝে পার্থক্য কি জানেন?

আমাদের আর সাহাবায়ে রাসূলুল্লাহদের মাঝে পার্থক্য কি জানেন?

তারা নিজেদের আত্মশুদ্ধির জন্য রাসূল (সঃ)-কে প্রশ্ন করতেন।

আর আমরা অন্যের আত্মশুদ্ধির জন্য আলেমসমাজকে প্রশ্ন করি।

কে আসল সেলিব্রেটি?

দুনিয়াতে নাঁচ গান করে এমনও অনেক তথাকথিত সেলিব্রেটি অনেক নাম-জশ কামিয়েছে, অনেক দুনিয়া কাপিয়েছে। কিন্তু মৃত্যুর পর এখন কয়জন কে দেখেন তাদের নাম জপতে..?

কিন্তু দুনিয়াতে এখনো ইবনে ক্যাইয়ুম রহঃ, ইবনে তাহমিয়্যা রহঃ প্রমূখদের নাম কোটি কোটি মানুষের মুখে। অথচ তাদের কাউকে হয়তো মানুষ দেখেও নি।

আসল সফলতা খ্যাতি তো সেটাই যেটা মৃত্যুর পর মানুষ অর্জন করে সারাদুনিয়ার মানুষের ভালবাসার মাধ্যমে, স্মৃতির মাধ্যমে আমরণ।

এখন সিদ্ধান্ত আপনার আপনি কিভাবে দুনিয়াতে নাম কামাতে চান? বেঁচে থেকে অনেক নাম জস , নাকি মৃত্যুর পরেও আমরণ নাম জস? তাহলে আজ থেকেই আল্লাহ্ কে খুশি করার কাজে নিজেকে উৎসর্গ করুন। আল্লাহ্ নিজ রহমত থেকে দুনিয়া ধ্বংসের আগ পর্যন্ত এই দুনিয়ায় আপনার সুনাম সমুন্নত রাখবেন।