Tuesday, May 29, 2018

ইসলামেও মেয়েরা খেলনা।

সবাই বলেন না যে মেয়েরা খেলনা? আমিও একমত মেয়েরা আসলেই খেলনা এখন একটু ব্যাখ্যা দেই।
মানুষের কাছে খেলনা হল একটা সৌখীন জিনিশ যেটা মানুষ যত্ন করে রাখে। আর আল্লাহ্‌ মেয়েদের ও দিয়েছেন এই সৌখীন জিনিষ-এর মর্যাদা যখন সে একজন মেয়ে তখন সে তার বাবার কাছে সৌখিন তাকে আগলে রাখতে হয় কাউকে দেখানোর জন্য আল্লাহ্ এই খেলনা পাঠান নি। আর এই খেলনা (মেয়েকে) নিয়ে বাবার খেলা হল আদর স্নেহ। এরপর আসে স্বামীর পালা স্বামীও এই খেলনা টাকে আগলে রাখে কারণ এটা আল্লাহ্‌র হুকুম। আর তার কাছে এই খেলনা কে নিয়ে খেলা হল #ভালোবাসা ♥। আর মানুষ তার পছন্দের খেলনা জীবনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আগলে রাখে।

আর এখন মেয়েরা এটা নিয়ে আফসোস করে যে তারা খেলনা ছেলেদের কাছে। কিন্তু তারা এটার ইসলামিক ব্যাখ্যা বের করে না। আরে বোন হারাম ভাবে নিজেকে অন্যের কাছে খেলতে দিলে তারা তো খেলা শেষ হলে ছুড়ে ফেলবেই। কারণ এটা যে তাদের নিজের খেলনা না। তাই বোন আপনাকে বলছি নিজেকে হালাল খেলনা গড়ে তুলুন হারাম নয়।

Wednesday, May 16, 2018

যেই গোনহার ফলে আমাদের আমল কখনোই কবুল হবে না।

আল্লাহ্‌ চাইলে যখন খুশি তখন ই তার বান্দাদের মাফ করে দেন। কারণ তিনি ক্ষমাশীল রহমানুর রহিম। তবে এমন কিছু গোনহা আছে যার ফলে আপনি যদি হাসরের ময়দানে পাহাড় সমান আমল নিয়েও হাজির হন এরপরেও কোনো অস্তিত্ব পাবেন না ওই আমলের।

এর মধ্যে অন্যতম হল-
শিরক, হিংসা, মোনাফেকি, হক বিনিষ্টকারি (ইত্যাদি।।)

আজ ওই ২টা বিষয় নিয়ে কথা বলবো যে ২টার ১টা আপনার আমল পুড়িয়ে দেয় আর সেটা হল হিংসা। হিংসা এমন এক পাপ যে আপনি অনেক অনেক আমল করছেন পাশাপাশি অন্যের সাথে হিংসা ও করছেন আর সেই হিংসার দরুন আপনার করা আমল পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। অতঃপর আপনি ভেবে রেখেছেন আপনি তো আমল করেছেন তাই পার পেয়ে যাবেন, কিন্তু যখন হাসরের ময়দানে উপস্থিত হবেন দেখবেন আপনার আমলের কোনো অস্তিত্ব-ই পাচ্ছেন না এর ফল সেই হিংসা। আর ঈমানদার দের ঈমান নষ্ট করার জন্য এই হিংসা ই যথেষ্ট শয়তানের জন্য কারণ শয়তান জানে যে এদের আমল এতটাই বেশি যে আমি চাইলেও এদের অন্য খারাপ কাজ করিয়ে জাহান্নামী করতে পারবো না। কারণ  তারা তওবা করে পার পেয়ে যাবে তাই তাদের মনের মাঝে হিংসা দিয়ে আমল ধ্বংস করে দিচ্ছে। একটা জিনিষ লক্ষ করবেন বর্তমান সমাজে আলেমদের অন্য কোনো খারাপ অভ্যাস না থাকলেও হিংসা টা অনেক বেশি। তবে এ থেকে বাঁচার ও উপায় আছে সেটা হল- যখন ই মনে হিংসার আবির্ভাব হয় তখন ই আল্লাহ্‌র কাছে সাহায্য কামনা করা এবং বলা যে হে আল্লাহ্‌! ওকে যা দিয়েছেম সেটা আমাকেও দিন এবং ওর টায় আরো বরকত দিন।

পরের টা হল শিরক - এটা এমন এক পাপ যেটায় আপনি ওই মহান স্বত্বা আল্লাহ্‌র সাথে কারো তুলনা করছেন (নাউজুবিল্লাহ্)। এ পাপের কোনো মাফ নেই তবে আল্লাহ্‌ যে আর-রহমান তিনি এ পাপের জন্য ও বান্দাদের মাফ করার অপশন রেখেছেন সেটা হম ভুল ক্রমে যদি করেও থাকুন এক্সট্রা ইবাদত করুন আল্লাহ্‌র কাছে মাফ চান বেশি বেশি এই উদ্দেশ্য যে আপনি ভুল করে ফেলেছেন। হয়তবা আল্লাহ্‌ আপনাকে মাফ করলেও করতে পারেন। আর খুব সতর্ক ভাবে কথাবার্তা চলাফেরা করবেন জেনো এটা থেকে বেঁচে থাকতে পারেন আর বেশি বেশি ইস্তেগফার করবেন ইনশা-আল্লাহ্ আল্লাহ্‌ আপনাকে সাহায্য করবেন।

আল্লাহ্‌ হাফিজ।

Thursday, May 10, 2018

ইন্টারনেট যেভাবে চালালে আল্লাহ্‌র পথে অটুট থাকা সম্ভব।

আমরা চাইলে ইন্টারনেট এর ও ভালো দিক ব্যবহার করতে পারি।
কিভাবে?
দেখুন-

-বিসমিল্লাহ্‌ বলে ব্যবহার শুরু করুন। নিশ্চই বিসমিল্লাহ্‌-এর ফজিলত সবাই ই জানেন?
-সব সময় ভাবুন আল্লাহ্‌ আপনাকে দেখছে। পর্ণগ্রাফি ও খারাপ ওয়েব গুলোকে ব্লক করার ব্যবস্থা করুন।
-ঘরের পিসি টা এমন জায়গায় রাখুন জেনো সবার চোখে পড়ে, এতে করে আপনি খারাপ কিছুতে প্রবেশ করতে পারবেন না।
-কখনো নির্জন থাকবেন না এতে করে শয়তান আপনাকে গ্রাস করে নেবে (তবে আপনার দোয়া অবশ্যই শয়তান অপেক্ষা বেশি শক্তিধর)।
-সবসময় ভালো বন্ধু বানান যারা সৎ পরামর্শ দেয়। আর সবসময় ইসলাম নিয়ে আলোচনা করুন।

আল্লাহ্‌ সবাইকে হেফাজত করুন।

আসল রোমান্স

আচ্ছা কোনটা বেশি রোমান্টিক?

স্বামী স্ত্রী কে নামাজের জন্য ডেকে তুলবে।

নাকি স্ত্রী ভোর বেলা উঠে স্বামী কে বলবে "এই উঠো না আজান হচ্ছে যাও নামাজে যাও, আর স্বামী বলবে আরেকটু ঘুমাই না প্লিজ (স্বামী ৫ওয়াক্ত নামাজী) পরে স্ত্রী বলবে আচ্ছা ঘুমাও আমি পানি নিয়ে আসি। পরে স্বামী লাফ দিয়ে উঠে নামাজে যাবে আর যাওয়ার আগে বিবির কপালে একটা চুম্বন করে যাবে"।