আপনার কাছে একটা পথ আছে যেটার চারপাশে এতোটাই অন্ধকার যে আপনি আলো ছাড়া চলতে পারবেন না। আপনার কাছে একটা মোমবাতি আছে কিন্তু তাতে কোনো আলো নেই। আর হঠাৎ করে আপনি একজন স্বত্ত্বার কথা স্বরন করলেন এবং সাথে সাথে আপনার পায়ের কাছে একটি দেশলাই কাঠি পেলেন এবং সেটা দিয়ে আগুন ধরিয়ে নিয়ে একটু আলোর দেখা পেলেন। তবে এই আলোটাও আপনার জন্য যথেষ্ট নয় এতো দূরের পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য। আবার এটারও আশঙ্কা আছে যে কিছুদূর যেয়ে সেটা নিভেও যেতে পারে। হঠাৎ আপনার একটা পদক্ষেপে আপনার পাশে আরেকটি মোমবাতি এসে আপনার সঙ্গ দিলো। এবং এখন আপনি সাহস ও আলো দুটোই পেলেন। আবার আলো নিভে যাওয়ার আশঙ্কা টাও কেটে গেলো কারণ, যদি একটা নিভেও যায় আরেকটার আলো দিয়ে সেটাকে জ্বালিয়ে নেওয়া যাবে। এবং এতে করে আপনি খুবই সহজে রাস্তা টা পার করে ওপারের রত্নভান্ডারের কাছে পৌছালেন।
মোরাল অফ দ্যা স্টোরি- এখানে পথ বলতে বোঝানো হয়েছে আমাদের এই জীবন, অন্ধকার বলতে এই দুনিয়াবি ফিতনা-ফেসাদ, মোমবাতি আপনার আত্মা-নফস, আলো হলো ঈমানী শক্তির আলো, সেই স্বত্তার স্বরন মানে মহান আল্লাহর কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়া, দেশলাই হল হেদায়েত যার মাধ্যমে ঈমানের আলো জ্বালাতে পারলেন, আর নিভে যাওয়ার ভয় মানে ঈমান হারিয়ে ফেলা, আর আরেকটি পদক্ষেপ হল নিকাহ্ ও আলো হলো আপনার সঙ্গিনীর ঈমান, আর এই ক্ষেত্রে নিভে গেলেও তার সাহায্যে আপনি ঠিক থাকতে পারবেন। সর্বশেষ আপনি ওই রত্নভান্ডার মানে জান্নাতে সুখের দিন কাটাবেন।
Friday, November 2, 2018
বিয়ে কি?
আপনার কাছে একটা পথ আছে যেটার চারপাশে এতোটাই অন্ধকার যে আপনি আলো ছাড়া চলতে পারবেন না। আপনার কাছে একটা মোমবাতি আছে কিন্তু তাতে কোনো আলো নেই। আর হঠাৎ করে আপনি একজন স্বত্ত্বার কথা স্বরন করলেন এবং সাথে সাথে আপনার পায়ের কাছে একটি দেশলাই কাঠি পেলেন এবং সেটা দিয়ে আগুন ধরিয়ে নিয়ে একটু আলোর দেখা পেলেন। তবে এই আলোটাও আপনার জন্য যথেষ্ট নয় এতো দূরের পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য। আবার এটারও আশঙ্কা আছে যে কিছুদূর যেয়ে সেটা নিভেও যেতে পারে। হঠাৎ আপনার একটা পদক্ষেপে আপনার পাশে আরেকটি মোমবাতি এসে আপনার সঙ্গ দিলো। এবং এখন আপনি সাহস ও আলো দুটোই পেলেন। আবার আলো নিভে যাওয়ার আশঙ্কা টাও কেটে গেলো কারণ, যদি একটা নিভেও যায় আরেকটার আলো দিয়ে সেটাকে জ্বালিয়ে নেওয়া যাবে। এবং এতে করে আপনি খুবই সহজে রাস্তা টা পার করে ওপারের রত্নভান্ডারের কাছে পৌছালেন।
মোরাল অফ দ্যা স্টোরি- এখানে পথ বলতে বোঝানো হয়েছে আমাদের এই জীবন, অন্ধকার বলতে এই দুনিয়াবি ফিতনা-ফেসাদ, মোমবাতি আপনার আত্মা-নফস, আলো হলো ঈমানী শক্তির আলো, সেই স্বত্তার স্বরন মানে মহান আল্লাহর কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়া, দেশলাই হল হেদায়েত যার মাধ্যমে ঈমানের আলো জ্বালাতে পারলেন, আর নিভে যাওয়ার ভয় মানে ঈমান হারিয়ে ফেলা, আর আরেকটি পদক্ষেপ হল নিকাহ্ ও আলো হলো আপনার সঙ্গিনীর ঈমান, আর এই ক্ষেত্রে নিভে গেলেও তার সাহায্যে আপনি ঠিক থাকতে পারবেন। সর্বশেষ আপনি ওই রত্নভান্ডার মানে জান্নাতে সুখের দিন কাটাবেন।
Friday, October 5, 2018
ভাবতেই_অবাক_লাগে
যেই মানুষটা রাতে কবরস্থানের পাশ দিয়ে একা হেটে যেতে ভয় পায়, একদিন সেই মানুষটাই সব কিছু ছেড়ে সেই অন্ধকার কবরে একাকী রাতের পর রাত কাটাবে।
একদিন ঠিকই হারিয়ে যেতে হবে সেলাইবিহীন সাদা কাপড়ের আড়ালে। অপেক্ষা শুধু মৃত্যুর।
-তাই কাল লাশ হয়ে অন্যের কাধে যাওয়ার থেকে আজ নিজের পায়ে হেটে মসজিদে যাওয়াটাই উত্তম।
Sunday, September 2, 2018
"শেষ মুহূর্ত ও রঙ্গীন পর্দা"
-১২৫০ ফেসবুক বন্ধু, ৬২৫ ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার, ৫৮৮ আছে টুইটারে।
কিন্তু এখনো,
আইসিইউ এর বাহিরে তার একমাত্র স্ত্রী, সন্তান এবং তার মা-বাবার উপস্থিত বিদ্যমান।
অপেক্ষা করছে তার সুস্থতার।
-এবং এরা তারাই যাদের জন্য তার কখনো সময় হয় নি।
তাই বন্ধুরা কল্পনার জগৎ হতে বেরিয়ে এসে একটু সময় দিন নিজের পরিবারকে।
-কারণ শেষ সময়ে এরাই পাশে থাকবে, রঙিন মিথ্যে পর্দার কেউ নয়।
Friday, August 24, 2018
নিয়ত ও রিয়া পর্ব- ১
" নিয়ত ও রিয়া "
পর্বঃ ১
[বিঃদ্রঃ আল্লাহ্ অন্তর জামী]
- একদা এক ভাই ছিলো যে কিনা খুব দান-ছদকা করতো। এক কথায় খুব দানশীল বলা চলে। এবং এই দান করাকে কেন্দ্র করে মানুষ তাকে খুব ভালও বাসতো। তাকে সবাই দাতা হিসেবে চিনত। এবং এতে তিনিও খুব গর্ববোধ করতো। এবং এরপর সে আরো বেশি করে দান করা শুরু করেন। অত:পর তার নাম দূর-দূরান্তে পৌঁছে যায়। এবং সবাই তার এসব কাজের জন্য তাকে বাহবা দিতে থাকে। এবং সবাই ভেবেই নেয় তিনি জলজ্যান্ত একজন জান্নাতি মানুষ। আর ভাবাটাও স্বাভাবিক যে এতো দান-ছদকা করে তাকে আল্লাহ্ কেনো জাহান্নামী করবেন। তাই সে নিজেও নিজেকে জান্নাতি ভেবে নেয়।
- অত:পর তার মৃত্যু হয়ে গেলো। এবং সে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হল। এবং আল্লাহ তা'লা তার বিচারের রায় দিলেন জেনো তাকে জাহান্নামের কুপে নিক্ষেপ করা হয়। অত:পর লোকটি বলে "হে রব্বুল আলামিন আমি কেনো জাহান্নামী? আমি তো দুনিয়ায় অনেক দান করতাম।" অত:পর আল্লাহ্ বলবেন " দান করতে ঠিকই কিন্তু তোমার নিয়ত ছিলো না আমাকে খুশি করা। তোমার নিয়ত ছিলো দুনিয়ার নাম-ডাক-খ্যাতি অর্জন। এবং তুমি দুনিয়ায় সেটা পেয়েছও তাহলে এখন আমার কাছে কি চাও..? তুমি যেটি করেছ সেটা মানুষের কাছে ইবাদত হলেও আমার কাছে এটা রিয়া।" অত:পর তিনি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হলেন।
[বিঃদ্রঃ আল্লাহর বানি টা সম্পুর্ণ কাল্পনিক ভাবে তুলে ধরা তিনি এভেবে বলবেন কিনা জানা নেই। এটা সামান্য একটা ধারণা মাত্র। আল্লাহ সর্বজ্ঞানী। ]
Wednesday, July 18, 2018
ছোট আমল থেকেই শুরু।
যদি আপনি দ্বীনের পথে নতুনভাবে ফিরে আসতে চাচ্ছেন এবং নবীজী (সঃ)-এর সব সুন্নাত পালন করতে চাচ্ছেন কিন্তু হুটকরে সব একসাথে পালন করতে খুব কষ্ট হচ্ছে তাহলে আমি খুব ছোট একটা উপায় বলে দিব। যেটা আলহামদুলিল্লাহ! আপনাকে আস্তে আস্তে সব পালন করতে সাহায্য করবে। ছোট ছোট আমল দ্বারা শুরু করুন দেখবেন পরে বড় আমলের সময়ও কোনো সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ। যেমন- কোনো কাজ করার আগে বিসমিল্লাহ্ বলা, সব কাজ ডান দিক থেকে শুরু করা (যেমন- খাবার খাওয়া, জুতা পরা, চুল আঁচড়ানো, নখ কাটা ইত্যাদি।) , গোসল শেষ করে চুলে তেল দেওয়া ও চুল আঁচড়ানো, জুম্মার দিনে গোসল ও আতর মাখা, মেসওয়াক করা ইত্যাদি ছোট আমল গুলি দিয়ে শুরু করুন। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আপনার জন্য বড় আমল গুলি সহজ করে দিবেন।
Monday, July 16, 2018
A Simple Way To Recharge Your Emaan.
#ঈমান_রিচার্জ।
-আমরা সবাই জানি ঈমান ব্যটারির ন্যায় তাই সময়ের সাথে সাথে এটার বৃদ্ধি-রিচার্জ করিয়ে নিতে হয়। এখন ঈমান বৃদ্ধির তো অনেক-ই উপায় আছে তবে সেগুলো ধীরে ধীরে চার্জ করে, যেমন- নামাজ, রোজা, দান-ছদকা, কোরান তেলওয়াত, হজ্ব-ওমরা, যাকাত ইত্যাদি। এগুলো ধীরে কাজ করলেও এগুলা আলহামদুলিল্লাহ! পারমানেন্টলি থেকে যায়।
-এখন এমন একটি ঈমান বৃদ্ধির সিস্টেম আমি আপনাদের বলবো যেটা সঙ্গে সঙ্গে প্রভাব ফেলবে মনের মধ্যে। এই সিস্টেম টা নবি মুহাম্মদ (সঃ)-এর কাছের সাহাবায়ে একরামরাও করতেন।
-কি সেই সিস্টেম? আমরা তো মানুষ একে অপরকে ছাড়া বাঁচতেই পারি না। আর এখনকার সময়ে বন্ধুদের ছাড়া তো চলেই না। তাই আমাদের রোজ আড্ডা না মারলে দিন টাই কাটে না। এখন কথা হল আমরা সবাই আড্ডার সময় নানান দুনিয়ার টপিক খুজি ইভেন খারাপ টপিক নিয়েও আলোচনা করি (আল্লাহ্ আমাদের হেফাজত করুন)। আড্ডা তো সাহাবায়ে কেরামরাও দিতেন তবে তারা ঈমান বৃদ্ধির জন্য আড্ডা বসাতেন, এবং সবাই মিলে ইসলামের গল্প,ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে নিজেদের ঈমান মজবুত করতেন। যে যেই বিষয় টা জানতেন সেটা সেই আড্ডায় তুলে ধরতেন আর এভাবেই একে অপরের কাছ থেকে না জানা বিষয় গুলা শিখতেন এবং শেখাতেন।
-তাই ভাই-বোন আপনাদের বলছি আড্ডা যখন দিচ্ছেন-ই টপিক টা জেনো হয় ইসলাম দেখবেন সঙ্গে সঙ্গে আপনার ঈমান বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার মন কোমল হয়ে যাবে। গল্প করুন হাদিস নিয়ে, ইসলামের ইতিহাস নিয়ে, আল্লাহর কুদরত নিয়ে, সাহাবাদের জীবনি নিয়ে, নবিদের ইসলাম প্রচারের করা কষ্ট নিয়ে। দেখবেন তখন দিনটাই আলাদা লাগবে।
জীবনকে বদলে ফেলুন।
Thursday, July 5, 2018
কে বেশি বড় আল্লাহ নাকি ভালবাসার মানুষ?
ইসলামে সবচেয়ে বড় জিনিস টাই হল ঈমান-নিয়ত। নিয়তের উপরই টিকে থাকে আমাদের ঈমান।
-এখন কথা হল এই সমাজে প্রায়সময় এই ভূল টা হয় সেটা কি- আমি এই ছেলে-মেয়েটার জন্য আল্লাহর পথে আসছি/আসব/আসতে হবে।
-একটা ছেলে মেয়ের জন্য আল্লাহর পথে? ভেবে দেখছেন এটা কত বড় শিরক? যে আপনার কাছে ওই ছেলে-মেয়েটাই আল্লাহর চেয়ে বেশি প্রায়োরিটি পেল? আপনি আল্লাহ কে ভালবেসে না ওই ছেলে বা মেয়েকে ভালবেসে আল্লাহর পথে আসবেন নইলে তাকে আপনি পাবেন না। নাউজুবিল্লাহ। একটা মানুষ কে পাওয়ার জন্য আল্লাহর পথে আসা? নিকৃষ্ট কাজ। মানুষকে আল্লাহর জন্য ভালবাসুন আল্লাহকে মানুষের জন্য নয়। তার মানে যদি সে আপনার লাইফ থেকে চলে যায় তাহলে আল্লাহ ও চলে যাবে? (তবে যদি এভাবে না করে আল্লাহর প্রতি ভালবাসাটা তার মনে ধারন করিয়ে দেওয়া যায় তার অজান্তেই তাহলে এটা শিরক না কারন সে কোনো কিছুর আশায় এটা করছে না।)এর পর হয়ত দেখা যাবে তার মনে আল্লাহ থাকবে পারমানেন্টলি। এবং আপনার উপস্থিতি থাকুক আর নাই বা থাকুক দেখবেন এর জন্য আল্লাহ আপনাকে বড় পুরুষ্কার দিবেন।
(বিঃদ্র-এই পোষ্ট টা তাদের জন্য যারা হারাম রিলেশনে আছে কিন্তু ছাড়তে পারছে না। তাদের জন্য। তাই বলে এটা পড়ে আপনিও এটায় জড়াতে যাবেন না। এটা মারাত্মক ভয়ানক কাজ।)
#Dedicated_some_people