Thursday, July 5, 2018

কে বেশি বড় আল্লাহ নাকি ভালবাসার মানুষ?

ইসলামে সবচেয়ে বড় জিনিস টাই হল ঈমান-নিয়ত। নিয়তের উপরই টিকে থাকে আমাদের ঈমান।

-এখন কথা হল এই সমাজে প্রায়সময় এই ভূল টা হয় সেটা কি- আমি এই ছেলে-মেয়েটার জন্য আল্লাহর পথে আসছি/আসব/আসতে হবে।

-একটা ছেলে মেয়ের জন্য আল্লাহর পথে? ভেবে দেখছেন এটা কত বড় শিরক? যে আপনার কাছে ওই ছেলে-মেয়েটাই আল্লাহর চেয়ে বেশি প্রায়োরিটি পেল? আপনি আল্লাহ কে ভালবেসে না ওই ছেলে বা মেয়েকে ভালবেসে আল্লাহর পথে আসবেন নইলে তাকে আপনি পাবেন না। নাউজুবিল্লাহ। একটা মানুষ কে পাওয়ার জন্য আল্লাহর পথে আসা? নিকৃষ্ট কাজ। মানুষকে আল্লাহর জন্য ভালবাসুন আল্লাহকে মানুষের জন্য নয়। তার মানে যদি সে আপনার লাইফ থেকে চলে যায় তাহলে আল্লাহ ও চলে যাবে? (তবে যদি এভাবে না করে আল্লাহর প্রতি ভালবাসাটা তার মনে ধারন করিয়ে দেওয়া যায় তার অজান্তেই তাহলে এটা শিরক না কারন সে কোনো কিছুর আশায় এটা করছে না।)এর পর হয়ত দেখা যাবে তার মনে আল্লাহ থাকবে পারমানেন্টলি। এবং আপনার উপস্থিতি থাকুক আর নাই বা থাকুক দেখবেন এর জন্য আল্লাহ আপনাকে বড় পুরুষ্কার দিবেন।

(বিঃদ্র-এই পোষ্ট টা তাদের জন্য যারা হারাম রিলেশনে আছে কিন্তু ছাড়তে পারছে না। তাদের জন্য। তাই বলে এটা পড়ে আপনিও এটায় জড়াতে যাবেন না। এটা মারাত্মক ভয়ানক কাজ।)

#Dedicated_some_people

Wednesday, July 4, 2018

“আমার কেন আপনাকে বিয়ে করা উচিত??”

“আমার কেন আপনাকে বিয়ে করা উচিত??”
:
এক মা তার ছেলের জন্য বিয়ের ব্যাপারে এক ধার্মিক মেয়ের সাথে সাক্ষাতের আয়োজন করল।
ছেলে ও মেয়ে দুইজনই আলাদা একটি রুমে নিজেদের সাথে কথা বলার সুযোগ পেল।
ছেলে মেয়েটিকে প্রথমে প্রশ্ন করতে আশ্বস্ত করল।
মেয়েটি ছেলেকে অনেক প্রশ্নই জিজ্ঞেস করল।
সে তার দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষাদীক্ষা, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, স্বভাব, পছন্দের বিষয়, অবসর, অভিজ্ঞতা আরো অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে চাইল।
ছেলেটি মেয়ের হাসিমুখে ভদ্রতার সাথে সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেল।
এরপর মেয়ে জানতে চাইল, "আমার সম্পর্কে আপনার কোন প্রশ্ন আছে?"
"এটা ভাল একটি ব্যাপার, আমার মাত্র তিনটি প্রশ্ন আছে।”
ছেলেটি উত্তর করল।
মেয়েটি ভাবল, "ও, শুধু তিনটি প্রশ্ন!"
.
ছেলেটির প্রথম প্রশ্ন ছিল, "আপনি কাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসেন, যার চাইতে বেশি ভালবাসা আর কাউকে সম্ভব না?”
.
সে বলল, "এটা তো খুব সহজ প্রশ্ন। অবশ্যই আমার মাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি।"
.
ছেলেটির দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল, "আপনি বলেছেন যে, আপনি কুরআন মাজিদ পড়েন।
আপনি কি আমাকে আপনার পছন্দমত যেকোন একটি সুরার অর্থ বলতে পারেন?"
.
এটা শুনে মেয়েটি একটু বিব্রত হল এবং বলল, "আমি এখনো জানিনা।
কিন্তু শীঘ্রই আমি শিখে ফেলব ইনশা আল্লাহ।
আমি একটু ব্যস্ত থাকি তো।"
.
ছেলেটির তৃতীয় প্রশ্ন ছিল, "বিয়ের ব্যাপারে আমি বেশ কয়েকজন মেয়ের সাথে কথা বলেছিলাম, যারা আপনার চেয়ে সুন্দর ছিল।
তো আপনি কি বলবেন, কেন আপনাকে আমার বিয়ে করা উচিত?"
.
এটা শুনে মেয়েটি ভীষণ ক্ষেপে গেল এবং রাগী গলায় তার পিতামাতাকে বলল, "আমি এই ছেলেকে মোটেই বিয়ে করবনা। সে আমাকে অপমান করেছে। আমার সৌন্দর্য নিয়ে খোঁটা দিয়েছে।"
.
ছেলের মাবাবাও সেখানে উপস্থিত ছিল এবং বিয়ে নিয়ে আর কোন কথাবার্তা না বলেই তারা প্রস্থান করল।
এবারে ছেলের পিতামাতা সত্যিই ছেলের উপর ক্রুদ্ধ হল, বলল, "তুমি মেয়েটিকে কী বলেছ যে মেয়েটি রেগে গেল?
এই ফ্যামিলি অনেক ভাল, মর্যাদাপূর্ণ, তুমি যেরকম ধর্মীয় খুঁজছ, সেরকমই।
কী বলেছ তাকে তুমি?"
.
ছেলে বলতে লাগল,
- “প্রথমে তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, সে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে কাকে।
সে উত্তর দিল যে, তার মাকে।”
এটা শুনে তারা আশ্চর্য হলেন, বললেন, "তো এটাতে ভুল কোথায়?"
ছেলেটি বলল,
- “প্রকৃত বিশ্বাসী হচ্ছে সে, যে আল্লাহ ও তার রাসুলকে যেকোন কিছুর চাইতে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে।
যে স্ত্রীলোক আল্লাহ ও তার রাসুলকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে, সে আমাকে ভালবাসবে এবং সম্মান করবে।
তাদের ভালবাসার কারণে আমার সাথে সে বিশ্বস্ত থাকবে এবং এই ভালবাসার কারণে আমরাও নিজেদেরকে নিজেদের ভালবাসা শেয়ার করতে পারব, যে ভালবাসা লোভ লালসা, সৌন্দর্য অথবা অন্য সকল জাগতিক বস্তুর ঊর্ধ্বে।”
ছেলেটি বলতে লাগল,
- “আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল যে, আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে যেন তার পছন্দমত কোন একটি সুরার অর্থ আমাকে শোনায়।
সে বলতে পারেনি।
কারণ তার এখনো সময় হয়ে উঠেনি।
তখন আমার এই হাদীসটা মনে হয় যে, "সকল মানুষ মারা যায়, তবে তারা ব্যতীত, যাদের জ্ঞান আছে।"
সে তো বিশ বছরেরও বেশি সময় পেয়েছে।
অথচ তার এখনো জ্ঞান অর্জন করার সময় হয়নি!
আমি কি করে এমন মেয়েকে বিয়ে করতে পারি, যে এখনো তার দায়িত্ব ও অধিকার সম্পর্কে জানেনা।
সে বাচ্চাদেরকে কী শিক্ষা দিবে।
একজন মা-ই তো তার বাচ্চাদের জন্য সর্বোত্তম শিক্ষক।
এবং এমন এক স্ত্রীলোক, আল্লাহকে দেওয়ার মত সময় যার হয়না, স্বামী ও সন্তানদেরকে দেওয়ার মত সময় তার নাও হতে পারে।
আমার তৃতীয় প্রশ্ন ছিল যে, বিয়ের ব্যাপারে আরো কিছু মেয়ের সাথে আমার সাক্ষাত হয়েছে যারা তার চেয়ে সুন্দর ছিল।
তো তাকে কেন আমার বিয়ে করা উচিত। মূলত এ কারণেই সে ক্রুদ্ধ হয়েছিল।”
.
ছেলের মা-বাবা এখানে আপত্তির সুরে মন্তব্য করল, "এভাবে বলাটা তো অপ্রীতিকর।
তুমি কেন এটা বলতে গেলে?"
ছেলে উত্তর করল,
- “আমি এটা এ উদ্দেশ্যে বলেছিলাম যে, সে তার রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে কিনা।
যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল পূণ্যবান হওয়ার গুণ গুলো সম্পর্কে, তখন তিনি বলেছিলেন, "রাগান্বিত হয়োনা, রাগান্বিত হয়োনা, রাগান্বিত হয়োনা।
কারণ রাগ শয়তান হতে আসে।"
যে মেয়ে কোন অপরিচিত ব্যক্তির সাথে নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা, যার সাথে সে মাত্রই কথা বলেছে এবং তাদের সব কথাবার্তা তার পিতামাতাকে মুহূর্তেই বলে দিল, সে কী করে সারাজীবন ধরে তার স্বামীর সাথে এসব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকতে পারবে।"
.
আল্লাহ আমাদের এমন সঙ্গী দান করুন, যে চক্ষুশীতল করবে এবং জান্নাতে যাওয়ার উত্তম মাধ্যম হবে।
আমিন।
:
মূল লেখাঃ #UmmeZainab

Tuesday, May 29, 2018

ইসলামেও মেয়েরা খেলনা।

সবাই বলেন না যে মেয়েরা খেলনা? আমিও একমত মেয়েরা আসলেই খেলনা এখন একটু ব্যাখ্যা দেই।
মানুষের কাছে খেলনা হল একটা সৌখীন জিনিশ যেটা মানুষ যত্ন করে রাখে। আর আল্লাহ্‌ মেয়েদের ও দিয়েছেন এই সৌখীন জিনিষ-এর মর্যাদা যখন সে একজন মেয়ে তখন সে তার বাবার কাছে সৌখিন তাকে আগলে রাখতে হয় কাউকে দেখানোর জন্য আল্লাহ্ এই খেলনা পাঠান নি। আর এই খেলনা (মেয়েকে) নিয়ে বাবার খেলা হল আদর স্নেহ। এরপর আসে স্বামীর পালা স্বামীও এই খেলনা টাকে আগলে রাখে কারণ এটা আল্লাহ্‌র হুকুম। আর তার কাছে এই খেলনা কে নিয়ে খেলা হল #ভালোবাসা ♥। আর মানুষ তার পছন্দের খেলনা জীবনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আগলে রাখে।

আর এখন মেয়েরা এটা নিয়ে আফসোস করে যে তারা খেলনা ছেলেদের কাছে। কিন্তু তারা এটার ইসলামিক ব্যাখ্যা বের করে না। আরে বোন হারাম ভাবে নিজেকে অন্যের কাছে খেলতে দিলে তারা তো খেলা শেষ হলে ছুড়ে ফেলবেই। কারণ এটা যে তাদের নিজের খেলনা না। তাই বোন আপনাকে বলছি নিজেকে হালাল খেলনা গড়ে তুলুন হারাম নয়।

Wednesday, May 16, 2018

যেই গোনহার ফলে আমাদের আমল কখনোই কবুল হবে না।

আল্লাহ্‌ চাইলে যখন খুশি তখন ই তার বান্দাদের মাফ করে দেন। কারণ তিনি ক্ষমাশীল রহমানুর রহিম। তবে এমন কিছু গোনহা আছে যার ফলে আপনি যদি হাসরের ময়দানে পাহাড় সমান আমল নিয়েও হাজির হন এরপরেও কোনো অস্তিত্ব পাবেন না ওই আমলের।

এর মধ্যে অন্যতম হল-
শিরক, হিংসা, মোনাফেকি, হক বিনিষ্টকারি (ইত্যাদি।।)

আজ ওই ২টা বিষয় নিয়ে কথা বলবো যে ২টার ১টা আপনার আমল পুড়িয়ে দেয় আর সেটা হল হিংসা। হিংসা এমন এক পাপ যে আপনি অনেক অনেক আমল করছেন পাশাপাশি অন্যের সাথে হিংসা ও করছেন আর সেই হিংসার দরুন আপনার করা আমল পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। অতঃপর আপনি ভেবে রেখেছেন আপনি তো আমল করেছেন তাই পার পেয়ে যাবেন, কিন্তু যখন হাসরের ময়দানে উপস্থিত হবেন দেখবেন আপনার আমলের কোনো অস্তিত্ব-ই পাচ্ছেন না এর ফল সেই হিংসা। আর ঈমানদার দের ঈমান নষ্ট করার জন্য এই হিংসা ই যথেষ্ট শয়তানের জন্য কারণ শয়তান জানে যে এদের আমল এতটাই বেশি যে আমি চাইলেও এদের অন্য খারাপ কাজ করিয়ে জাহান্নামী করতে পারবো না। কারণ  তারা তওবা করে পার পেয়ে যাবে তাই তাদের মনের মাঝে হিংসা দিয়ে আমল ধ্বংস করে দিচ্ছে। একটা জিনিষ লক্ষ করবেন বর্তমান সমাজে আলেমদের অন্য কোনো খারাপ অভ্যাস না থাকলেও হিংসা টা অনেক বেশি। তবে এ থেকে বাঁচার ও উপায় আছে সেটা হল- যখন ই মনে হিংসার আবির্ভাব হয় তখন ই আল্লাহ্‌র কাছে সাহায্য কামনা করা এবং বলা যে হে আল্লাহ্‌! ওকে যা দিয়েছেম সেটা আমাকেও দিন এবং ওর টায় আরো বরকত দিন।

পরের টা হল শিরক - এটা এমন এক পাপ যেটায় আপনি ওই মহান স্বত্বা আল্লাহ্‌র সাথে কারো তুলনা করছেন (নাউজুবিল্লাহ্)। এ পাপের কোনো মাফ নেই তবে আল্লাহ্‌ যে আর-রহমান তিনি এ পাপের জন্য ও বান্দাদের মাফ করার অপশন রেখেছেন সেটা হম ভুল ক্রমে যদি করেও থাকুন এক্সট্রা ইবাদত করুন আল্লাহ্‌র কাছে মাফ চান বেশি বেশি এই উদ্দেশ্য যে আপনি ভুল করে ফেলেছেন। হয়তবা আল্লাহ্‌ আপনাকে মাফ করলেও করতে পারেন। আর খুব সতর্ক ভাবে কথাবার্তা চলাফেরা করবেন জেনো এটা থেকে বেঁচে থাকতে পারেন আর বেশি বেশি ইস্তেগফার করবেন ইনশা-আল্লাহ্ আল্লাহ্‌ আপনাকে সাহায্য করবেন।

আল্লাহ্‌ হাফিজ।

Thursday, May 10, 2018

ইন্টারনেট যেভাবে চালালে আল্লাহ্‌র পথে অটুট থাকা সম্ভব।

আমরা চাইলে ইন্টারনেট এর ও ভালো দিক ব্যবহার করতে পারি।
কিভাবে?
দেখুন-

-বিসমিল্লাহ্‌ বলে ব্যবহার শুরু করুন। নিশ্চই বিসমিল্লাহ্‌-এর ফজিলত সবাই ই জানেন?
-সব সময় ভাবুন আল্লাহ্‌ আপনাকে দেখছে। পর্ণগ্রাফি ও খারাপ ওয়েব গুলোকে ব্লক করার ব্যবস্থা করুন।
-ঘরের পিসি টা এমন জায়গায় রাখুন জেনো সবার চোখে পড়ে, এতে করে আপনি খারাপ কিছুতে প্রবেশ করতে পারবেন না।
-কখনো নির্জন থাকবেন না এতে করে শয়তান আপনাকে গ্রাস করে নেবে (তবে আপনার দোয়া অবশ্যই শয়তান অপেক্ষা বেশি শক্তিধর)।
-সবসময় ভালো বন্ধু বানান যারা সৎ পরামর্শ দেয়। আর সবসময় ইসলাম নিয়ে আলোচনা করুন।

আল্লাহ্‌ সবাইকে হেফাজত করুন।

আসল রোমান্স

আচ্ছা কোনটা বেশি রোমান্টিক?

স্বামী স্ত্রী কে নামাজের জন্য ডেকে তুলবে।

নাকি স্ত্রী ভোর বেলা উঠে স্বামী কে বলবে "এই উঠো না আজান হচ্ছে যাও নামাজে যাও, আর স্বামী বলবে আরেকটু ঘুমাই না প্লিজ (স্বামী ৫ওয়াক্ত নামাজী) পরে স্ত্রী বলবে আচ্ছা ঘুমাও আমি পানি নিয়ে আসি। পরে স্বামী লাফ দিয়ে উঠে নামাজে যাবে আর যাওয়ার আগে বিবির কপালে একটা চুম্বন করে যাবে"।

Sunday, November 19, 2017

#যারা_একটুতেই_নিজের_মৃত্যু_কামনা_করেঃ-

কিছু মানুষ কে দেখি কবরের কোনো ছবি দেখলে বা মৃত্যু ঘটিত কিছু দেখলে বা শুনলে বলে - "আমি যে কবে মরবো। আমার মৃত্যু কেনো দেয় না/হয় না।" আবার কিছু লোক সেটা বাধা না দিয়ে সেটা নিয়েও মজা করে যেমন ৪০শা তে দাওয়াত দিয়েন,যলদি মরেন একটা মিলাদ খাই" 😞👏

তাদের বলি ভাই-বোন কি চাইছেন জেনে বুঝে চাচ্ছেন তো? এতো আবেগ বা অন্যের sympathy পাওয়ার জন্য নিজের মৃত্যু কামোনা করেন? মনে রাখবেন এই জীবন আল্লাহ্‌ দিয়েছেন আর সে তার ইচ্ছা মতন আপনাকে হায়াত দিবে এবং মৃত্যু ও তার ইচ্ছা মতন ই দিবে। সামান্য কিছু দুনিয়াবি  কষ্টে নিজের মৃত্যু কামনা করেন? একটা জীবনের মূল্য বুঝেন? বুঝবেন কিভাবে নিজের সাথে তো জীবন হারানোর মতন কিছু হয় নি তাই আজ বুঝছেন না। জীবনের মূল্য বুঝতে হলে যান একটা ক্যান্সারজনিত রুগীর কাছে যে জানে মারা যাবে তাও সে অবিরত চেষ্টা করছে বাঁচার জন্য, দেখতে চান জীবন কি জিনস তাহলে দেখুন তাদের যারা ৩-৪ দিন না খেতে পেয়েও জীবন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে শুধুমাত্র বেঁচে থাকার জন্য। আর আপনি কি করছেন নিজের কাছে একবার প্রশ্ন করুন তো!? আজথেকে নিজের মৃত্যু কামনা না করে অন্যের কাজে লাগান নিজের জীবন টা। হয়ত আপনি এসব চিন্তা বাদ দিয়ে কাজ করলেন কোনো ক্যান্সার এর রোগীকে একটু হাসানোর জন্য বা কিছু অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়ালেন। এতে নিজের জীবন কেও স্বার্থক মনে হবে এবং অন্যেরাও একটু খুশি থাকবেন।

be a real human being.

আমার এই স্ট্যাটাস টা যদি আপনাদের একটু বুঝতে সাহায্য করে এতেই আলহামদুলিল্লাহ্‌।